Breaking News

নামায জান্নাতের চাবি!!!

আমাদের দেশের অধিকাংশ মুসলমান যে নামায পড়ে না তা বেশ কিছু টা বুঝা যায় মাগরিবের নামাজের সময় বাইরে থাকলে।
সেদিন একজন ঘনিষ্ঠ অসুস্থ রুগীকে দেখে হাসপাতাল থেকে আসতে আসতে রাস্তাতেই আজান হয়ে গেলো।বাড়ি পৌছাতে পৌছাতে মসজিদে নামায প্রায় শেষ।এই সময় টুকু আমি রিকশায় ছিলাম।চারপাশের নির্বিকার জনতা কে দেখতে দেখতে আসছিলাম।আজান হচ্ছে কারো কোনো টেনশন নেই।দোকানদার নির্বিকার চিত্তে বিক্রি করছ।খরিদ্দার কেনাকাটা করছে,পথচারিরা নির্ভাবনায় পথ চলছে।রিকশা ,গাড়ি সমান তালে চলছে।কারো ভেতরেই কোনো বিকার নেই।

আমার রিকশা একটা মসজিদের পাশ দিয়ে যেতেই দেখলাম মাগরিবের নামায দাড়িয়ে গেছে স্বল্প কয়েকজন মুসল্লি নিয়ে।৯৯% মুসলমান নির্বিকার চিত্তে তাদের দৈনন্দিন কাজ কর্মে ব্যস্ত।এই যে আজান হয়ে গেলো তা যেনো কেউ শুনতেই পায়নি।না শুনতে পায়নি বললে ভুল হবে,কারণ আজান শুনে অনেকে তাদের দোকানে আগরবাতি জ্বালিয়েছে।আজানের হক যেনো আদায় হয়ে গেলো।
শুধু মাগরিব নয়।এসব মুসলমানরা ফজর ও ঘুমিয়ে পার করে।যোহর,আসরে দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত থাকে।এশার নামাযের তো প্রশ্নই আসে না।সারাদিনের ব্যস্ততায় দেহ ক্লান্ত পরিশ্রান্ত।জুমার দিন অবশ্য অনেকে সেজে গুজে মসজিদে আসে। অনেকে আবার মাঝে মধ্যে দু'চার ওয়াক্ত পড়েও।
এদের নাম আবদুর রহিম,আবদুর রাজ্জাক,হাসিনা,আমেনা,হাজেরা.......।এরা নিজেদের মুসলমান বলে দাবী করে।অথচ এরা জানেনা পাঁচ ওয়াক্ত নামায নিষ্ঠার সাথে আদায় না করলে মুসলমানের খাতায় নাম থাকে না।রাসূল (সাঃ) বলেছেন,"ঈমানদার এবং বেঈমানের মধ্যে পার্থক্য হলো নামায"।(মুসলিম,আবু দউদ,নাসায়ী)

পাঁচ ওয়াক্ত নামায প্রত্যেক মুমিনের উপর ফরজ করা হয়েছে।অতএব নামায ত্যাগকারী তো মুসলমানের অর্ন্তভুক্তই না।
হযরত ওমর (রাঃ)বলেন,"নামায ত্যাগকারী ইসলাম প্রদত্ত কোনো সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাবে না"(কবীরা গুনাহ-পৃষ্ঠাঃ২৩)
নামাযে শিথিলতা প্রদর্শন কারীদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন : "সেসব নামাজির জন্য ওয়াইল(আযাবের কঠোরতা) যারা নামাযে অবহেলা করেছে।"(সূরা মাঊন)
হযরত সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন,"আমি রাসূল (সাঃ)কে জিগ্ঞাসা করেছিলাম 'এই অবহেলা মানে কি?"
তিনি বলেন ,নির্দিষ্ট সময় থেকে বিলম্বিত করা ।
মহান আল্লাহ পাক বলেন,"হে মুমিনগন তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি যেনো তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরন থেকে গাফেল না করে।যারা এ কারণে গাফেল হয় তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত"।(সূরা মুনাফিকুন:৯)

এই আয়াতে আল্লাহর স্মরণ বলতে নামাযকেই বুঝানো হয়েছে।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "হাশরের দিন প্রথমেই বান্দার আমল সমূহের মধ্যে নামাযের হিসাব নেয়া হবে।যে নামাযের হিসাব সঠিক ভাবে দিতে পারবে সে পরিত্রান পাবে,নচেৎ ব্যর্থতা অবধারিত।"(তাবরানী)

রাসূল(সাঃ) আরো বলেছেন, "যে ইচ্ছাকৃত ভাবে নামায ছেড়ে দিল সে আল্লাহর যিম্মাদারী থেকে বের হয়ে গেল।"(বুখারী,মুসলিম)
যে ব্যক্তি পরিপূন ভাবে নামায আদায় করবে বিচার দিবসে তা তার জন্য নূর হবে,এবং মু্ক্তির উপায় হবে।আর যে ঠিক মতো নামায আদায় করবে না,তার জন্য নামায নূর ও নাজাতের অসিলা হবে না।হাশরের দিন ফেরাউন,হামান,কারুন,নমরুদ ও উবাই ইবনে খালফের সাথে হাশর হবে।(আহমাদ,তাবরানী)
এক লোক রাসূল (সাঃ)- এর নিকট হাজির হয়ে জিগ্ঞেস করলো, "ইয়া রাসূলাল্লাহ,ইসলামের কোন কাজ আল্লাহর নিকট বেশি পছন্দনীয়?তিনি বলেন,সময় মতো নামায আদায় করা ।যে নামায পরিত্যাগ করলো তার কোনো দীন নাই।নামায ইসলামের স্তম্ভ।(বায়হাকী)
রাসূল (সাঃ) বলেছেন ,"যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামায ঠিক মতো আদায় করবে ,আল্লাহ তাকে পাঁচটি পুরস্কারে সম্মানিত করবেন।
১.তার অভাব দূর করবেন।
২.কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেবেন।
৩.ডান হতে আমল নামা দেবেন।
৪.বিজলীর ন্যায় পুলছিরাত পার করবেন।
৫.বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

আর যে ব্যক্তি নামাযে অবহেলা করবে ,আল্লাহ তাকে চৌদ্দটি  শাস্তি দেবেন।
দুনিয়াতে পাঁচটি, মৃত্যুর সময় তিনটি , কবরে তিনটি, কবর থেকে উঠানোর সময় তিনটি।


দুনিয়াতে পাঁচটি---
১.তার হায়াত থেকে বরকত কমে যাবে।
২.চেহারা থেকে নেককারের নির্দশন লোপ পাবে।
৩.তার কোন নেক আমালের প্রতিদান দেয়া হবে না।
৪.তার কোনো দু'আ কবুল হবে না।
৫.নেককারের দু'আ থেকে সে বন্চ্ঞিত হবে।


মৃত্যুর সময় তিনটি---
১.সে অপমানিত হয়ে মারা যাবে
২.অনাহারে মারা যাবে
৩.এমন পিপাসার্ত হয়ে মারা যাবে যে,তাকে পৃথিবীর সব সমুদ্রের পানি পান করালেও তার পিপাসা যাবে না।


কবরে তিনটি---------
১.কবর সংকীর্ণ হয়ে এতো জোরে চাপ দেবে যে তার পাজরের একদিকের হাড় অন্যদিকে ঢুকে যাবে।
২.কবরে আগুন ভর্তি করে রাখা হবে ।আগুনর জ্বলন্ত কয়লায় রাত দিন জ্বলতে থাকবে।
৩.তার কবরে এমন ভয়ংকর বিষধর সাপ রাখা হবে,যা তাকে কেয়ামতত পর্যন্ত দংশন করতে থাকবে।

পুনরুহ্থানের সময় তিনটি

১.কঠোর ভাবে হিসাব নেয়া হবে।
২.আল্লাহ তার উপর রাগান্বি থাকবেন।
৩.তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
অপর বর্ণনায় আছে বিচার দিবনে তার কপালে তিনটি কথা লেখা থাকবে-
১.হে আল্লাহর হক নষ্টকারী।
২.হে আল্লাহর অভিশপ্ত।
৩.হে আল্লাহর রহমত থেকে বন্চ্ঞিত।(কবিরা গুনাহ-ইমাম আয যাহাবী)



নামাযে ধীর-স্হিরতা ও একাগ্রতা
নিশ্চিত সফল হয়েছে সেসব মুমিন যারা তাদের নামাজে বিনয় ও একাগ্রতা অবরম্বন করে(সূরা মুমিনুন:১-২)
অর্থাৎ ধীর স্হির এবং বিনয় ও একাগ্রতা নিয়ে নামাজ পড়তে হবে,তাহলে সফলতা পাওয়া যাবে।আমাদের সমাজে একদল নামাজিদের নামাজের সময় খুবই তারাহুরা করতে দেখা যায়।
তারা রুকু থেকে সোজা হয়ে না দাড়িয়েই সিজদায় চলে যায়।এক সিজদা দিয়ে সোজা হয়ে বসে না,একটু মাথা তুলতেই আবার সিজদায় যায়।সে সিজদাও এত দ্রুত যে সিজদার দু'আ পড়ল না,তা বুঝা যায় না।
রুকু পরে সোজা হয়ে দাড়ানো কে বলে কাওমা,এক সিজদা দিয়ে সোজা হয়ে বসার নাম জালসা।কাওমা ও জালসা এ দু'টোই ওয়াজিব।অনেকেরই এই ওয়াজিব আদায় হয় না।হযরত আবু হুরায়রা(রা:) বর্ণনা করেন,"এক ব্যক্তি মসজিদে নববীতে প্রবেশ করলো।রাসূল(সাঃ) সেখানে বসা ছিলেন।লোকটি নামাজ পড়ল ।নামাজ শেষে লোকটি রাসূল(সাঃ) কে সালাম করল।তিনি সালামের উত্তর দিয়ে বললেন,"ফিরে যাও,আবার নামাজ পড়,কেননা তুমি নামাজ পড়নি"।সে ফিরে গিয়ে আবার নামাজ পড়ে নবীজির কাছে এসে সালাম করল।রাসূল (সাঃ) আবার তাকে নামাজ পড়তে বললেন,এভাবে তিনবার নামাজ পড়ে লোকটি বিনীত স্বরে বলল,"ইয়া রাসূলাল্লাহ,যে আল্লাহ আপনাকে সত্য দীন সহকারে পাঠিয়েছেন তার শপথ করে বলছি,নামাজের এর চেয়ে উত্তম পদ্ধতি আমার জানা নাই।আমাকে শিখিয়ে দিন।রাসূল (সাঃ) বললেন,যখন নামাজে দাড়াবে তখন তাকবীর বলবে।অতঃপর সূরা ফাতেহা এবং তোমার সাধ্যানযায়ী কুরআন পড়।তারপর রুকু কর এবং ধীর-স্থিরভাবে রুকু করে সোজা হয়ে দাড়াও।অতঃপর সিজদা কর এবং সিজদায় গিয়ে স্থির হও।এভাবে বাকি রাকআতগুলো সম্পন্ন কর।(বুখারী ও মুসলিম)
রাসূল (সাঃ) বলেছেন,"যে ব্যক্তি নামাজের রুকু ও সিজদায় পিঠ সোজা করে না,তার নামাজ তার জন্য যথেষ্ট নয়"।(মুসনাদে আহমাদ,আবু দাউদ)
রাসূল (সাঃ) বলেছেন ,"মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় চুরি হল নামাজে চুরি করা।আরয করা হল,নামাজে কিভাবে চুরি করা হ?তিনি বললেন,"ঠিক মতো রুকু,সিজদা না করা এবং সঠিকভাবে কিরআত না পড়া"।(আহমাদ,হাকেম,তাবরানী)
"নামাজ জান্নাতের চাবি"।এই হাদিসটি পড়লেই একটা দৃশ্য মনের পর্দায় ভেসে উঠে।যারা নামায পড়ে না ,তারা অনেকেই ভালো কাজ করে অথচ তার বিনিময়ে তারা জান্নাতে যেতে পারবে না।যেহেতু তারা নামায পড়েনি,অতএব তাদের তো চাবী নেই।।অথচ তাদের জান্নাতের দরজায় বড় একটা তালা ঝুলছে।জাহান্নামের প্রহরীরা এসে তাদের পাকরাও করে নিয়ে যাবে। কি র্মমান্তিক হবে সেই সময় টা,তাকে সাহায্য করার কেউ করার কেউ থাকবে না সেখানে।আর যারা দুনিয়ার জীবনে নামাজি ছিল,তারা নিশ্চিন্ত মনে যার যার চাবি দিয়ে তাদের নির্ধারিত জান্নাতের দরজা খুলে তাতে প্রবেশ করবে।
আমাদের সমাজে একদল মুসলমান আছে,তারা মোটেও নামাজ পড়ে না।আর একদল আছে নিয়মিত পড়ে না।এই উভয় দলের জন্যই কঠিন শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তা'আলা।
আবার নিয়মিত নামাজিদেরও অনেকের রুকু,সিজদা,কাওমা,জালসা ঠিক মতো আদায় হয় না।কিরআত সহীহ হয় না।আবার অনেকের সহীহ শুদ্ধ হলেও নামাজে যা পড়ে তার অর্থ বুঝে না।অর্থ না বুঝলে নামাজে একাগ্রতা ও বিনয় বা খুশু খুজু কি করে আসবে?আর খুশু খুজু(বিনয়্ ও একাগ্রতা)ছাড়া নামাজ আল্লাহ গ্রহন করেন না।
আসুন আমরা নামাজি হই ।যেভাবে রাসূল (সাঃ) নামাজ শিখিয়েছেন,সাহাবারা যে ভাবে নামাজ আদায় করেছেন সেই ভাবে নামাজ পড়ি।
আসুন প্রতিদিন মহান প্রভুর সাথে প্রান উজার করে কথা বলি।নামাজই তো মুমিনের মিরাজ।নিয়মিত সঠিক ভাবে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে দুনিয় ও আখেরাতের কল্যান লাভে ধন্য হই।
রাসূল (সাঃ) এর যুগে চিহ্নিত মুনাফিকরাও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত।কারন মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে গেলে নামায পড়তেই হবে।কিন্তু আমাদের সমাজের চেহারা ভিন্ন।নিজেদের মুসলমান হিসাবে পরিচয় দেয়,মুসলমানের মতো নাম রাখে অথচ নামাজ পড়ে না।আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা বলেন,"নামাজ অত্যন্ত কঠিন কাজ,তবে তাদের জন্য নয় যারা তাদের না দেখা রবকে ভয় করে"।(সূরা বাকারা)
অর্থাৎ যারা নামাজ পড়ে না তারা তাদের না দেখা রবকে ভয় করে না,মানে বিশ্বাস করে না্।আর বিশ্বাস করে না মানেই তো তাদের ঈমান নাই।তারা বে-ঈমান।
এদের মধ্যে অনেকে আবার আস্ফালন করে বলে 'নামাজ না পড়লে কি হবে,ঈমান ঠিক আছে।
এর চেয়ে হাস্যকর কৌতুক আর হয় না।
রাসূল (সাঃ) স্পষ্ট বলেছেন,"মুমিন এবং কাফেরের মধ্যে পার্থক্য হলো নামায"।
অর্থাৎ বে-নামাজি কোনো অবস্থাতেই ঈমানের দাবী করতে পারে না।অথচ আমাদের চার পার্শ্বের এসব বে-নামাজিরা আমাদেরই আত্মীয়-স্বজন।এদের পার্থিব বিপদ মুসিবতে আমরা দ্রুত এগিয়ে যাই।সাহায্য সহযোগিতা করি।
বে-নামাজি হওয়ার কারনে এরা যে কঠিন বিপদে নিক্ষিপ্ত হবে,সে বিষয়টা এদের বুঝানো আমাদের দায়িত্ব।বুঝানোর পরেও না বুঝলে তো আর আমাদের করার কিছু নেই,দু'আ করা ছাড়া।
মহান আল্লাহ তার এসব বান্দাদের নামাজ পড়ার তওফীক দান করুন্।ইবলিসের সকল প্রকার ধোঁকা থেকে রক্ষা করুন।আমাদের নামাজসমূহ কবুল করে নিন।আমিন।


নামাজে কি পড়ি:    রাসূল(সাঃ) বিসমিল্লাহ বলে অযু শুরু করতেন এবং অযু শেষে নিম্নরূপ দু'আ পড়তেন।

'আশহাদুআল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু  আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু- আল্লাহুম্মাজ আলনী মিনাত্বাওয়াবীনা ওয়াজ আলনী মিনাল মুতাত্বাহিরীন'।
অর্থঃ 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মাদ ( সাঃ) আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল।হে
আল্লাহ আমাকে তওবাকারী এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।'

নাসায়ীতে বর্নিত হয়েছে- অযুর পর তিনি নিম্নরূপ দু'আ ও পড়তেন।
' সুবহানাকা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়াআতুবু ইলাইকা'।

অর্থঃ'সমস্ত ত্রুটি  ও অক্ষমাতা থেকে মুক্ত তুমি ,তোমার প্রশংসা স্বীকার করে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি,তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।তোমার কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থী আর তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করছি।'
রাসূল(সাঃ) নামাজ  শুরু করার সময় আল্লাহু আকবার (তাকবীর তাহরীমা) বলতেন,বলার সময় দুই হাত ওঠাতেন।তারপর ডান হাত বাম হাতের পিঠের উপর রেখে বুক বা নাভীর উপর স্হাপন করতেন। তার পর নিম্নের দু'আ পড়তেন।
"ইন্নি ওয়াজ্জাহ্ তু ওয়াজহিয়া লিল্লাযি ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল  আরদা হানাফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকিন-ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়াইয়া ওমা মামাতি লিল্লাহী রব্বিল 'আলামিন'।