Breaking News

লেখিকার কথা

লেখিকার কথা
নামায ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের সর্বশ্রেষ্ঠ স্তম্ভ।ঈমান আনার পরই যে কাজটি প্রথম করতে হয় তা নামায।রাসূল(সাঃ) নামায পড়াকেই কুফর ও ইসলামের মধ্যে পার্থক্যে প্রধান চিহ্ন বলে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন।মুসলমানগন প্রকৃত মুসলমান কি না তার বাস্তব পরীক্ষা এবং প্রমান নেওয়ার জন্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামায কে ফরজ করা হয়েছে।তাই বে নামাযীকে মুসলমান মনে করার কোনো অবকাশ নেই।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলেনঃ"ইন্নাস্ সালাতা তানহা 'আনিল ফাহ্ শাই ওয়াল মুনকার"
 অর্থ :"নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীলতা,র্গহিত অবান্হি্ঞত কাজ হতে বিরত রাখে"(সূরা আল আনকাবূত:৪৫)

আমাদের সমাজের দিকে তাকালে আমরা নামায আর 'ফাহশা-মুনকার'(পাপ-অন্যায় অশ্লীলতা) সমান্তরালে দেখি।কিন্তু কেন???????

এর উত্তরে মাওলানা মওদূদী (র) বলেন-"মুসলমানগন আসলে নামাযই পড়ে না,আর পড়লে ও ঠিক সেভাবে এবং সে নিয়মে পড়ে না,যেভাবে আর যে নিয়মে আল্লাহ এবং তার রাসূল (সাঃ) পড়তে আদেশ করেছেন"।

নামাযে যে কথাগুলো আল্লাহর কছে বলি তা না বুঝার কারণেই মনে হয় আমাদের এই দূরবস্হা।যে ব্যক্তি দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে সে যদি বুঝে শুনে অসংখ্যবার আল্লাহর সামনে স্বীকার  করে, "হে আল্লাহ! আমি কেবল তোমারই দাসত্ব করি আর তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।' নিশ্চয়ই আল্লাহর  নাফারমানির পর্যায়ে পড়ে এ ধরনের কাজ করতে তার ভয় ও লজ্জা হবে।কিন্তু জানার পরে বুঝার পরেও যদি  তার চরিত্র সংশোধন না হয় সে জন্য নামাযের কোনো দোষ নেই।এ প্রসঙ্গে মরহুম মাওলানা মওদূদী (র) বলেন-"পানি ও সাবান  কাপড়ের ময়লা দূর করে বটে,কিন্তু তাতে কয়লার ময়লা দূর না হলে সেজন্য পানি ও সাবানের দোষ দেয়া যায় না,দোষ কয়লার ই হবে"।

আমার বিশ্বাস আমরা সবাই কয়লা নই।আমাদের বড় একটা অভাব নামাজে যা পড়ি তার অর্থ আমরা বুঝি না,ইদানিং শুদ্ধ করে কুরআন -বিশেষ করে নামাযে যে সূরা ও দু'আ গুলো পড়া হয়-তা শেখার একটা তাগিদ সবার মধ্যে লক্ষ করা যাচ্ছ।কিন্তু বড়ই দুঃখের বিষয় নামাজে যা পড়ি তা নিজেদের মাতৃভাষায় বুঝে পড়ার অনুভূতি আমাদের মধ্যে এখনো জাগ্রত হয়নি।

বিভিন্ন মাহফিল এবং বৈঠকে এই বিষয় আলোচনা করলেই আমার বোনেরা প্রায় সবাই বলেন -আপা এমন একখানা বই আমাদের দেন যাতে নামাযে যা পড়ি সেসব দু'আগুলোর অর্থ জানতে পারি'।
বাজারে ভালো ভালো বড় বড়  বই পুস্তক পাওয়া যায়,যা আমার এই দরিদ্র এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত মা বোনদের ক্রয় ক্ষমতার বাইর।

আমাদের এই দুর্বলতার দিকটি লক্ষ্য করেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।এতে যদি কারো সামান্যতম উপকার হয়.তাতেই আমার শ্রম সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো।
আমার ভুল,ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো আল্লাহ পাক যেনো ক্ষমা করে দেন আর সওয়াবটুকু পৌছে দেন
আমার প্রিয়তম আব্বা মোঃ ফকরুল ইসলামের রূহের প্রতি এবং আমার সকল কবরবাসী আত্মীয়-স্বজনের প্রতি,আর এই ক্ষুদ্র পুস্তিকাখানি হয় যেনো আমার নাজাতের অসিলা।আমিন!!!
                                          

                                                                                                        মাসুদা সুলতানা রুমী

1 comment

shafi said...

http://shafi-alhera.blogspot.com/
আপা আচ্ছালামু আলাইকুম!
এখন তো শীতও না গরমও না, আবহাওয়া মোটামুটি ভাল আছে, ভাইকে নিয়ে আমার বাড়িতে ক’দিন বেড়িয়ে যান।